বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করোনা পরিস্থিতিতে গত দুই বছর চারটি ঈদে মুসল্লিদের ঈদের নামাজ পড়তে হয়েছিল মসজিদে। এবার করোনার বিধিনিষেধ ছিল না।

সিলেটের শাহী ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজে ইমামতি করেন আল্লামা মুফতি রশিদুর রহমান ফারুক। ঈদের বিশেষ খুতবা পড়া হয়। খুতবা শেষে মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয় ঈদের প্রধান জামাত। মোনাজাতে গুনাহ থেকে মুক্তি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়। নামাজ শেষে মুসল্লিরা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সিলেট শাহী ঈদগাহে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন ঈদ জামাত শেষে কুশল বিনিময় এবং ঈদের কোলাকুলি করেন।

default-image

শাহী ঈদগাহ ছাড়াও নগরের আশপাশ এবং শহরতলির ৯০ ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়েছে। মহানগর এলাকার ৩৫৩টি মসজিদে হয়েছে ঈদের নামাজ। এর মধ্যে শাহজালাল দরগাহ মাজার মসজিদ, কালেক্টরেট মসজিদের সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণ, বন্দরবাজার কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদ, পুলিশ লাইনস জামে মসজিদ, টিলাগড় মাদানী ঈদগাহ, জিন্দাবাজার বায়তুল আমান জামে মসজিদ, রেজিস্টারি মাঠ, সিলেট জজকোর্ট জামে মসজিদ, মদিনা মার্কেট জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের নামাজের পরপরই সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বৃষ্টি নামে। এতে অনেকে ভোগান্তিতে পড়েন।

সিলেট মহানগর পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মহানগর এলাকায় ৪৪৪টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। এতে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন