বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাত আটটার দিকে যোগাযোগ করলে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির প্রথম আলোকে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে হামলা হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করায় পুলিশ পরিদর্শন করে এসেছে। আশপাশেও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
যোগাযোগ করলে বাসা থেকে রাহেল সিরাজের এক আত্মীয় বলেন, বিকেলে নগরীর চৌহাট্টা মোড়ে ছাত্রলীগের ‘তেলিহাওর গ্রুপ’ বিক্ষোভ করে। এই বিক্ষোভ থেকে ১০-১৫টি মোটরসাইকেল বাসার সামনে গিয়ে দুবার চক্কর দেয়। একপর্যায়ে কয়েকটি ঢিল ছোড়া হলে তখনই পুলিশকে জানানো হয়। এ সময় রাহেল সিরাজ বাসায় ছিলেন। এ ব্যাপারে কথা বলতে রাহেল সিরাজের মুঠোফোনে কল করে বন্ধ পাওয়া গেছে।
ছাত্রলীগের কমিটিবিরোধী বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহরিয়ার আলম। বাসায় ঢিল ছোড়ার ঘটনায় তিনি বলেন, ‘তেলিহাওর থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত আমাদের বিক্ষোভ হয়েছে। এই বিক্ষোভস্থল থেকে অন্তত দুই কিলোমিটার দূরে রাহেলের বাসায় আমাদের কর্মীরা কী করে ঢিল ছুড়বে। শুনেছি, রাহেলের অনুসারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বাসার সামনে মহড়া দিয়েছেন।’

প্রায় চার বছর পর মঙ্গলবার কেন্দ্র থেকে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে কমিটির একাংশ ঘোষণা করা হয়। জেলার সভাপতি মো. নাজমুল ইসলাম ও রাহেল সিরাজ সাধারণ সম্পাদক হন। মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হয়েছেন কিশওয়ার জাহান ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম আহমদ।

চারটি পদ বিক্রির অভিযোগ

নতুন ঘোষিত জেলা ও মহানগর কমিটির ৪টি পদ ১ কোটি ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শাহরিয়ার আলম। তিনি আর্থিক বিষয়টি তুলে ধরে কাল বুধবার বিকেলে সিলেটের দুটি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করবেন। শাহরিয়ার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি সর্বশেষ জেলা কমিটির সভাপতি। কমিটি গঠন নিয়ে গত চার বছরের নানা রকম চেষ্টার আমি একজন প্রত্যক্ষদর্শী। চার বছর পর মাত্র চারজনকে দায়িত্ব দিয়ে নতুন নেতৃত্ব কেনা হয়েছে। এতে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি লিখিত অভিযোগ করার আগে সংবাদ সম্মেলন করে পুরো বিষয়টি তুলে ধরব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন