বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিসিকের জনসংযোগ দপ্তর জানায়, ডেঙ্গু মশার লার্ভার সন্ধানে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ দল অভিযানে নেমেছে। ডেঙ্গু মোকাবিলায় বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়টি প্রচার করে নজরদারিও চালানো হয়। এ অভিযান পরিচালনার একপর্যায়ে কিনব্রিজসংলগ্ন কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। স্যানিটারি পণ্যসামগ্রীর তিনটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা আকাশের নিচে এসব সামগ্রী সাজিয়ে রাখার স্থানে ডেঙ্গু মশার লার্ভার সন্ধান পাওয়া যায়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অর্থদণ্ড দিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিককে এক সপ্তাহের মধ্যে খোলা স্থান থেকে ডেঙ্গু মশার উৎসস্থল ধ্বংস করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ডেঙ্গুর উৎস চিহ্নিত করে তা ধ্বংসে এই অভিযান চলমান থাকবে জানিয়ে সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও বাসাবাড়ির ভেতরে যাতে ডেঙ্গু মশার উৎস না থাকে, সেদিকে সবাইকে সচেতন থাকতে বলা হচ্ছে।

ডেঙ্গু মশার উৎসের সন্ধান পেলে তাৎক্ষণিক সিসিকের স্বাস্থ্য বিভাগে তথ্য প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। অভিযানের পর এক বার্তায় করোনা পরিস্থিতির মাঝে ডেঙ্গু যাতে হানা দিতে না পারে, সে জন্য নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন মেয়র।

তিনি বলেন, কোনোভাবেই বাসাবাড়ির ছাদ, ফুলের টব, এসির জমানো পানি, নারকেলের খোসা, টায়ার-টিউব বা টিনের কৌটা, নির্মাণাধীন ভবন, সরকারি-বেসরকারি ভবনের ছাদ যেন অপরিচ্ছন্ন না থাকে। কারণ, এসব স্থান ডেঙ্গু মশার প্রজননের স্থান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন