বিজ্ঞাপন

হাসপাতাল দুটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, প্রায় ১৫ দিন আগে তারা অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে করোনা পরীক্ষা করার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। আজ রোববার সেটির অনুমতি পাওয়া গেছে।

সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলায় এর আগে শুধু শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে করোনার পরীক্ষা করা হতো। করোনা শনাক্তের জন্য অ্যান্টিজেন ও আরটি পিসিআরে পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।

অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে কম সময়ে উপসর্গ থাকা রোগীদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। এতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া আরটি পিসিআরে পরীক্ষায় ২৪ ঘণ্টার মতো সময়ের প্রয়োজন হয়। তবে সময় বেশি হলেও আরটি পিসিআরের মাধ্যমে নির্ভুল প্রতিবেদন আসে।

এদিকে বেসরকারি হাসপাতালে অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে করোনা পরীক্ষার জন্য সরকারিভাবে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে কিটের মাধ্যমে অ্যান্টিজেন পরীক্ষার খরচ ধরা হয়েছে ৭০০ টাকা করে। এ ছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে উপসর্গ থাকা ব্যক্তিদের নিজ ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আরও ৫০০ টাকা খরচ রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতে একাধিক ব্যক্তি হলেও খরচ একই রাখার নির্দেশনা রয়েছে।

সিলেটের ওয়েসিস হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক মনসুর আলম বলেন, ‘আমরা আজই (রোববার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অনুমতি পেয়েছি। অনুমতি পাওয়ার পরপরই অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। তাঁরা অনুমতিপত্র আমাদের প্রেরণ করবেন। এরপর বিস্তারিত জানাবেন। আমরা অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে করোনা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অ্যান্টিজেন পরীক্ষার কিট কোথা থেকে সংগ্রহ করতে হবে, সেটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পরে জানানো হবে বলে জানতে পেরেছি। এদিকে অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ ফল এলেও সেটি সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ করা হবে না। রোগীর নমুনা আরটি পিসিআরে পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হবে, পরে সেটি নিশ্চিত করে প্রকাশ করা হবে।’

সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালের বিপণন ব্যবস্থাপক (গণমাধ্যম) ওবায়দুল হক বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা আমাদের কার্যক্রম শুরু করব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন