বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে চলমান ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পুলিশ সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। এদিকে শহরের কদমতলী এলাকায় পরিবহনশ্রমিক ও মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার ভোর থেকে তাঁরা দূরপাল্লার কোনো বাস ছাড়েননি।

বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে দূরপাল্লার যাত্রীরা। বাধ্য হয়ে অনেকে মাইক্রোবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে চলাচল করছে। অনেক যাত্রীকে বাস টার্মিনালেও বসে সময় কাটাতে দেখা গেছে।

ঢাকা থেকে সিলেটে আসা কাপড় ব্যবসায়ী কাজী হেলাল বলেন, আজ সকালে ব্যবসায়িক কাজে তাঁর জকিগঞ্জে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস টার্মিনালে এসে জেনেছেন, বাস চলবে না। তিনি মাইক্রোবাসে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে মাইক্রোবাসগুলোতে অনেক বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

default-image

সিলেট থেকে হবিগঞ্জে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা সাব্বির আহমদ অভিযোগ করে বলেন, ধর্মঘটে পরিবহনমালিক–শ্রমিক কিংবা সরকারের বড় কর্তাদের ভোগান্তি হয় না। কিন্তু জ্বলানির দাম বাড়লে ও ধর্মঘট হলে দুটির ভোগান্তিই যাত্রীদের ওপর পড়ে।

সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম বলেন, করোনার কারণে পরিবহন ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। এমন সময় জ্বলানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা মুখ থুবড়ে পড়বেন। সারা দেশে ডাকা এ ধর্মঘটে দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে। ট্রেনগুলো নির্দিষ্ট সময়ে ছেড়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে সাধারণ দিনের তুলনায় আজ ট্রেনে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক খলিলুর রহমান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন