বিজ্ঞাপন

আজ সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত নগরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে মানুষের তেমন যাতায়াত দেখতে পাওয়া যায়নি। তবে দুপুর ১২টার দিক থেকে নগরে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। এতে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের চাপ বেড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।

নগরের বন্দরবাজার এলাকায় বাজার করতে আসা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, টানা লকডাউনের কারণে ঘরে বাজার–সদাই নেই। আজ থেকে লকডাউন শিথিল হয়েছে। সামনে কোরবানির ঈদ। এ জন্য একসঙ্গে ঈদ ও ঘরের বাজার করতে বেরিয়েছেন। ভিড় দেখে তিনি বলেন, ‘অনেকেই আমার মতো বাজার করতে বের হয়েছেন। তাই ভিড় বেড়েছে।’

default-image

এদিকে আজ সকাল থেকে চলাচল শুরু করেছে দূরপাল্লার গণপরিবহন। আজ সিলেট থেকে চট্টগ্রাম ও ঢাকার উদ্দেশে দুটি ট্রেন ছেড়ে গেছে। তবে যাত্রী পরিবহন অর্ধেক নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. খলিলুর রহমান।

সকালে যাত্রীদের তেমন চাপ দেখা না গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী বেড়েছে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে। টার্মিনালে সিলেট থেকে হবিগঞ্জে যাত্রী পরিবহন করা বাসচালকের সহকারী আমির উদ্দিন বলেন, সকালে যাত্রীদের তেমন উপস্থিতি ছিল না। তবে দুপুর ১২টার পর থেকে যাত্রীদের উপস্থিতি বেড়েছে। অর্ধেক যাত্রী নিয়ে সরকারনির্ধারিত বর্ধিত ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

নগরের জিন্দাবাজর এলাকার আল হামরা শপিং সিটির ব্যবসায়ী সুব্রত রায় বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আজ সকাল থেকে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলেছেন। সামনে ঈদ, তবে কোরবানির ঈদে কাপড়চোপড়ে গ্রাহকদের তেমন আগ্রহ থাকে না। এরপরও ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন