সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, মাংস ব্যবসায়ীরা সিটি করপোরেশনের মেয়র কিংবা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা না করেই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন। তাঁরা যদি দাবি-দাওয়া না দিয়ে হঠাৎ আন্দোলন করে বসেন, এতে সিটি করপোরেশনের কিছুই করার নেই। তবে বিষয়টি সিটি করপোরেশনের মেয়রকে অবহিত করা হয়েছে। মাংস ব্যবসায়ীরা চাইলে মেয়রের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন।

মাংস ব্যবসায়ীরা জানান, সিলেট সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ নগর এলাকায় গরুর মাংস ৬০০ ও খাসির মাংস ৮৫০ টাকা নির্ধারিত করে দিয়েছে। কিন্তু মাংস ব্যবসায়ীরা যে দামে গরু, খাসি কিংবা ছাগল কেনেন, তাতে সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত দামে বিক্রয় করলে লোকসান গুনতে হবে। বিষয়টি সিটি করপোরেশনের মেয়রকে অবহিত করা হলেও দেখবেন বলে জানান তিনি। পরে আর কোনো ব্যবস্থা নেননি। ফলে ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল।

সিলেট নগরের বন্দরবাজারের লালবাজারের বিসমিল্লাহ মিট হাউসের ব্যবসায়ী মো. ফরিদ আহমদ বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে দেশের অন্যান্য এলাকার সঙ্গে গরু ও খাসির মাংসের দাম সামঞ্জস্য রাখার দাবিতে ধর্মঘট পালন করে আসছিলেন ব্যবসায়ীরা। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আপাতত আগের দরে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন