বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চেঙ্গেরখাল সেতু দিয়েই চলাচল করছে ভারী যানবাহন থেকে শুরু করে মাঝারি যানবাহন, মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা। যানবাহনগুলো সংযোগ সড়কটির ডান পাশে গর্ত এড়িয়ে চলাচল করছে।

সিলেট সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সূত্র জানায়, বাদাঘাট সড়কটি সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের একটি বাইপাস হিসেবে ছিল। ১৯৯৬ সালের দিকে স্থানীয় চেঙ্গেরখালের ওপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সড়কটি সুনামগঞ্জের ছাতক, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট উপজেলার কিছু অংশের বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ২০০১ সালের দিকে সেতুটি উদ্বোধন করা হয়। এরপর ওই বিকল্প সড়ক দিয়ে সরাসরি যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রবেশমুখে দাঁড়িয়ে থাকা সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক জায়েদ মিয়া বলেন, গর্তটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ থাকে রাতের বেলা। সড়কে কোনো বাতি না থাকায় যেকোনো সময় ওই গর্তে যানবাহন পড়ে যেতে পারে। এতে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।

শিবের বাজার এলাকার বাসিন্দা খালেদ আহমদ বলেন, সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশেই কেন্দ্রীয় কারাগার। শহরের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান সড়ক। সড়কটি এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে, যা দিনের বেলায় বোঝা যায়। কিন্তু রাতের বেলা অন্ধকারে বোঝার উপায় থাকে না। সড়কের ওই অংশ দ্রুত সংস্কার করা দরকার।

সওজ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাদাঘাটে সেতুর সংযোগ সড়কের একাংশ দেবে যাওয়ার বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে তিনি শুনেছেন সেটি আগে মেরামত করা হয়েছিল। সড়কে গর্তের বিষয়ে খবর নিয়ে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন