বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হচ্ছেন মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার কুতুবনগর গ্রামের রুহেল আহমদ ওরফে কালা ও গুলসা গ্রামের অপু দাস। মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও ২ জনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৩৯৭ ধারায় (ডাকাতি) ১০ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি জসীম উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। এ মামলার অপর দুই আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিচার শিশু আদালতে চলমান।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, আজমল হোসেন সিলেট শহরের শাহজালাল উপশহর আবাসিক এলাকায় বসবাস করতেন। ২০১৬ সালের ৩০ জানুয়ারি নিজ গ্রামের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান দিতে বাড়ি যান। বিয়ানীবাজারের জলঢুপ গ্রামে নিজ বাড়ির একটি কক্ষে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে ৫০ হাজার টাকা লুট করে পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় আজমলকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় বিয়ানীবাজার থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা হলে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চার আসামিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। তদন্ত শেষে পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন