বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বালুচর এলাকার শাহ আলমের বাড়ি থেকে একটি ও রাত সাড়ে ১২টার দিকে মেজরটিলা আলুরতল এলাকার আবদুল মন্নানের বাড়ি থেকে আরও একটি অজগর উদ্ধার করেন বন বিভাগের কর্মীরা। উদ্ধার হওয়া দুটি সাপই প্রায় পাঁচ ফুট লম্বা।

এদিকে মেজরটিলার সৈয়দপুর এলাকার বাসিন্দা রাবেয়া বেগমের বাড়ি থেকে ১ ও ২ অক্টোবর আরও দুটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছিল। রাবেয়া বেগম বলেন, ‘অজগর সাপ উদ্ধার এখন আমাদের কাছে স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগে সাপ শুনলে আতঙ্কিত হতাম। অজগর সাপ নিরীহ প্রজাতির। এখন পর্যন্ত এই সাপ শারীরিকভাবে কারও ক্ষতি করেনি।’

পরিবেশবাদী সংগঠন ভূমিসন্তান বাংলাদেশের সমন্বয়ক আশরাফুল কবির বলেন, সম্প্রতি বালুচর ও মেজরটিলা এলাকা থেকে বেশ কয়েকটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। মূলত খাবারের সন্ধানেই এগুলো লোকালয়ে চলে যাচ্ছে। বন ও পাহাড়-টিলা উজাড় করে দেওয়ায় সাপের বসাবাসের স্থান সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেকটা বাধ্য হয়েই সাপ লোকালয়ে চলে আসছে।

সিলেট বন বিভাগের টিলাগড় বিটের বন কর্মকর্তা বীরেন্দ্র কিশোর রায় বলেন, সিলেটের চা-বাগান আর পাহাড়-টিলাগুলো অজগরের আবাস ও আশ্রয়স্থল। বনে খাবারের সংকটের কারণে অজগরগুলো লোকালয়ে চলে আসছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে গতকাল রাত ও আজ সকালে উদ্ধার হওয়া অজগরগুলো টিলাগড় বন বিটে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন