বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এরপর মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ এসব অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। তবে এখনো যানটি নগরের অভ্যন্তরের বিভিন্ন এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ও বিকেলে নগরের কিন ব্রিজ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, কোতোয়ালি থানা থেকে কিন ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত চলাচল করছে এসব ইজিবাইক। ইজিবাইকগুলো ঘাসিটুলা থেকে যাত্রী নিয়ে কোতোয়ালি থানার প্রধান ফটকের সামনে দিয়ে কিন ব্রিজ এলাকায় যাচ্ছে। আবার কিন ব্রিজ এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে আবার ঘাসিটুলার দিকে যাচ্ছে। এ সময় প্রায় প্রতিটি ইজিবাইকে ৫ জন করে যাত্রী নিতে দেখা গেছে।

চালক ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এসব ইজিবাইক কিন ব্রিজ এলাকা থেকে নগরের কাজীরবাজার হয়ে ঘাসিটুলা বেতারবাজার এলাকায় যাওয়া-আসা করে। যাত্রীপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা ভাড়া। যাত্রীরা বলেন, অবৈধ হলেও ভাড়া কম হওয়ায় তাঁরা ইজিবাইকে করে চলাচল করেন।

কিন ব্রিজ এলাকার ব্যবসায়ী আলী হোসেন বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের সামনের সড়কে যত্রতত্রভাবে ইজিবাইকগুলো রাখা হয়। কিছু বললেই চালকেরা খারাপ ব্যবহার করেন।
স্ট্যান্ডের এক চালক নাম প্রকাশ না করে বলেন, টাকা দিয়ে যানটি তিনি কিনেছেন। তবে নিবন্ধন নেই। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিবন্ধনের আওতায় আনলে সব নিয়মনীতি মেনে তিনি নিবন্ধন করবেন।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, তিনি ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেবেন। সিলেট মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার ফয়সল মাহমুদ বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এবং নিবন্ধনবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ওই এলাকার স্ট্যান্ডটি দ্রুত উচ্ছেদ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন