বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার সকালে শাহে আলমের স্ত্রী মোবারেকা সুরভী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আপনাদের রিপোর্ট হয় শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায়। এরপর খবর ছড়িয়ে পড়ে। টেলিভিশনেও নিখোঁজের সংবাদ প্রচারিত হয়। লঞ্চে এক ব্যক্তি ফেসবুকে প্রথম আলোর খবর ও ছবি দেখে তাঁকে (শাহে আলমকে) দেখান। তিনি আমাদের ফোন করেন রাত পৌনে ১২টায়।’

মোবারেকা সুরভী আরও বলেন, সব মিলিয়ে টানা প্রায় ১২ ঘণ্টা আতঙ্ক ও অস্বস্তির মধ্যে কেটেছে তাঁদের। ভোলার লালমোহনে শ্বশুরবাড়িতে আছেন তিনি। রাতে ও সকালে কথা হয়েছে। তিনি অনেকটা মানসিক চাপে আছেন। এ জন্য কাউকে কিছু না বলে হঠাৎ এভাবে চলে যান।

গতকাল রাতে শাহপরান থানায় করা জিডিতে বলা হয়, গতকাল দুপুরে গ্যাস ফিল্ডসের গাড়ি দিয়ে শাহে আলম সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পাশে বটেশ্বর বাজারে যান। দুপুর ১২টার পর গাড়িটি খালি ফিরে যায়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তাঁর সঙ্গে থাকা মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল।

সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, বটেশ্বর বাজারের সামনে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক দিয়ে জাফলং থেকে ছেড়ে আসা একটি বাস শাহে আলম দুই হাতের ইশারায় থামান। এরপর তিনি ওই বাসে ওঠেন। বাসটি জাফলং থেকে সিলেটমুখী ছিল।

শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সিসি ক্যামেরা দেখে পুলিশেরও এ রকম ধারণা ছিল। কাউকে কিছু না বলে এভাবে চলে যাওয়ার বিষয়ে শাহে আলম সিলেটে ফিরে এলে এ বিষয়ে কথা বলা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন