বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রোববার রাতে ওই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছে সিটি করপোরেশনের ৩, ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর আবদুল কাইয়ুম জালালী পংকি। বক্তব্য দেন স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল করিম, মো. মাহফুজুল হক, মো. আলাউদ্দিন, মো. হাবিব খান, শামীম আহমদ, মো. লোকমান খান, মো. ইফতেখার হোসেন, মো. বদরুল ইসলাম, মো. আনোয়ার বাদশাহ, মো. জালাল আহমদ, মো. ছাদেকুর রহমান, মো. আলী আকবর, রাজা আহমদ, সেলিম আহমদ, নাছির উদ্দিন প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত। অনেকে কাজ হারিয়েছেন। বেশির ভাগ মানুষের আয় কমে গেছে। সংসার চালাতে মানুষ হিমশিম খাচ্ছেন। এ সময়ে সিটি করপোরেশন পানির বিল, গৃহকর ও ট্রেড লাইসেন্সের ফি বাড়িয়েছে। এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও গণবিরোধী সিদ্ধান্ত।

রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়বৃদ্ধি কিংবা বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের অজুহাতে পানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অগ্রহণযোগ্য। দ্রুত বিল প্রত্যাহার করা না হলে নগরের ২৭টি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের নিয়ে গণ-আন্দোলন তৈরি করা হবে।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর সিটি করপোরেশন গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে পানির বিল বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়েছে। এর পর থেকেই এ সিদ্ধান্তে নগরবাসী বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বরাবরে স্মারকলিপি পেশ,  প্রতিবাদ সভাসহ নানা ধরনের কর্মসূচি পালন শুরু করেছেন।

সিটি করপোরেশনের পানি শাখা সূত্রে জানা গেছে, প্রতি মাসে আধা ইঞ্চি ব্যাসের লাইনের ক্ষেত্রে আবাসিক গ্রাহকদের ২০০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা এবং বাণিজ্যিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ৪০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পৌনে এক ইঞ্চি ব্যাসের লাইনের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য ৪০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০ টাকা এবং বাণিজ্যিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি গ্রাহকদের জন্য ৭০০ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতি মাসে এক ইঞ্চি ব্যাসের লাইনের ক্ষেত্রে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য এক হাজার টাকার পরিবর্তে দেড় হাজার টাকা, বাণিজ্যিক গ্রাহকদের দেড় হাজার টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ২০০ টাকা, প্রাতিষ্ঠানিক গ্রাহকদের দুই হাজার টাকার পরিবর্তে তিন হাজার টাকা এবং সরকারি গ্রাহকদের এক হাজার টাকার পরিবর্তে দেড় হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন