সিলেট বিভাগে এক দিনে করোনা শনাক্তের নতুন রেকর্ড

করোনাভাইরাস
প্রতীকী ছবি

সিলেট বিভাগে এক দিনে সর্বোচ্চসংখ্যক নমুনা পরীক্ষা ও করোনা সংক্রমণ শনাক্তের নতুন রেকর্ড হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল আটটা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরটি-পিসিআর ও অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমে ১ হাজর ৯৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৮৭ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৫ দশমিক ৪১ শতাংশ।

এর আগে গত ২ জুন সিলেট বিভাগে ৮৭২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩০২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। এত দিন সেটাই ছিল বিভাগে এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের ঘটনা।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিভাগে দুজন মারা গেছেন। তাঁদের মধ্যে সিলেট জেলার একজন এবং অপরজন হবিগঞ্জের বাসিন্দা। এ নিয়ে বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ৪৯৩ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলার বাসিন্দা ৪০০ জন, সুনামগঞ্জের ৩৪ জন, হবিগঞ্জের ২২ জন ও মৌলভীবাজারের ৩৭ জন মারা গেছেন। আজ দুপুরে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৯৩ জন।

প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩১১ জন আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে এবং ৭৬ জন অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৭১০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৪৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, সুনামগঞ্জে ১৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্ত ৫৬ জন, হবিগঞ্জে ৯৪ জনে নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্ত ২৮ জন এবং মৌলভীবাজারে ১২৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্ত হয়েছেন ৫৬ জন। এ নিয়ে বিভাগে করোনায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৩৫৪। এর মধ্যে সিলেট জেলার বাসিন্দা ১৮ হাজার ৬৩ জন, সুনামগঞ্জের ৩ হাজার ১৩৩ জন, হবিগঞ্জের ২ হাজার ৯২০ জন এবং মৌলভীবাজারের ৩ হাজার ২৩৮ জন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে নতুন করে ১৩১ জন সুস্থ হয়েছেন। এর মধ্যে ১০১ জন সিলেট জেলার, ১২ জন সুনামগঞ্জ জেলার এবং ১৮ জন মৌলভীবাজার জেলার বাসিন্দা। এ নিয়ে বিভাগে করোনা থেকে সুস্থ হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ২১৭।

সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম বলেন, সিলেট বিভাগে করোনা পরীক্ষা ও শনাক্তের নতুন রেকর্ড হয়েছে। বর্তমানে করোনায় সংক্রমিত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪৪৯ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় চিকিৎসাধীন ৪২৬ জন, সুনামগঞ্জে ৭ জন, হবিগঞ্জে ৭ জন এবং মৌলভীবাজারে চিকিৎসাধীন ১৯ জন।