বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নগর ভবনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় গ্রেটার ম্যানচেস্টারের প্রতিনিধিদলে ব্রিটিশ হাইকমিশনের জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশবিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরামর্শক জন ওয়ারবারটন, ব্রিটিশ কাউন্সিলের বাংলাদেশের পরিচালক টম মিশিওশিয়া, ব্রিটিশ কাউন্সিল সিলেট সেন্টারের প্রধান মো. কফিল উদ্দিন চৌধুরী, কনসালট্যান্ট মনির আলম চৌধুরী ছিলেন। সিলেট সিটি করপোরেশন দলে মেয়রসহ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবদুল আজিজ, সচিব ফাহিমা ইয়াসমিন, সম্পত্তি কর্মকর্তা ইয়াসমিন নাহার, প্রধান রাজম্ব কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান খান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায় প্রমুখ কর্মকর্তারা ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় সিলেট শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অতি বৃষ্টি, খরা, মাটিতে লবণের আধিক্য দেখা দিচ্ছে। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে গ্রামীণ মানুষ প্রতিনিয়ত শহর-নগরমুখী হচ্ছেন। এতে নগরের বস্তি এলাকাগুলোতে জনসংখ্যার চাপ বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে বর্জ্য উৎপাদন। পাশাপাশি সচেতনতার অভাবে যত্রতত্র পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহারের কারণে পরিবেশগত প্রতিক্রিয়া আগের চেয়ে বেশি হচ্ছে। এ অবস্থার মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ দরকার।

প্রতিনিধিদলের প্রধান ব্রিটিশ হাইকমিশনের জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশবিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরামর্শক জন ওয়ারবারটন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিলেট সিটি করপোরেশনের চলমান প্রকল্পগুলোর প্রশংসা করেন। প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহার পদ্ধতি বাস্তবায়নে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের আগ্রহের কথা জানান। তিনি এ নিয়ে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা যায় কি না, তা ভাববেন বলে মতবিনিময় সভায় সবাইকে অবহিত করেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দুই শহর সিলেট-ম্যানচেস্টার সম্পর্কের আরও উন্নয়নে ব্রিটিশ কাউন্সিলের বাংলাদেশের পরিচালক টম মিশিওশিয়া দুই শহরে দুটো উৎসব আয়োজনের প্রস্তাব করেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশন ও ম্যানচেস্টার সিটির মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এই দুই সিটির মধ্যে শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক একটি উৎসব আয়োজন করতে চান তাঁরা।

দুই দেশের দুই শহরে এ রকম উৎসব আয়োজনকে স্বাগত জানিয়েছেন বলে প্রথম আলোকে জানান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, সিলেট প্রবাসী–অধ্যুষিত। বিরাট একটি অংশ যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন। সম্পর্কোন্নয়নে এ রকম উৎসব দুই দেশের সম্পর্কেরও উন্নয়ন ঘটাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন