বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে গতকাল বিকেলে সীতাকুণ্ড সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল করিম বরাবর ও গত শনিবার চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী নারী। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। পরে এসআই মাহবুবকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রামের পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ওই নারীর স্বামী নুরুল ইসলাম পারিবারিক বিরোধের একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি।

ওই নারী লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে পারিবারিক একটি মামলায় তাঁর স্বামী গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। গত শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাঁর স্বামীকে ধরতে এসআই মাহবুব মোরশেদ, তাঁর সোর্স নুরুজ্জামান ও সাদা পোশাকে থাকা দুই পুলিশ সদস্য তাদের বাড়িতে যায়।

এ সময় এসআই মাহবুব মোরশেদ ঘরে ঢুকে তাঁর স্বামীকে না পেয়ে আলমারির চাবি দিতে বলেন। তিনি চাবি দিতে না চাইলে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে দুটি লাথি দেন এসআই। ভয়ে তাঁকে চাবি দেওয়ার পর আলমারিতে থাকা এক লাখ ৪২ হাজার টাকা, আধা ভরি স্বর্ণালংকার, ঘরে থাকা দুটি মোবাইল ফোন সেট ও ছেলে-মেয়েদের জন্মনিবন্ধন, বিভিন্ন শিক্ষা সনদ নিয়ে যান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। এ সময় বাধা দিলে ছোট ছেলেকে মারধর করা হয়।

এসআই মাহবুব মোরশেদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি আসামি নুরুল ইসলামকে ধরতে গিয়েছিলেন। তবে আসামি পালিয়ে যান। আসামির স্ত্রী ও ছেলেকে মারধর করার অভিযোগ সঠিক নয় বলে তাঁর দাবি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন