বিজ্ঞাপন

নিহত চালকের নাম আবদুর রহমান ওরফে আবদুল (৫০)। তাঁর বাড়ি যশোরের চৌগাছা উপজেলায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক, সীতাকুণ্ড সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল করিম।

আশরাফুল করিম প্রথম আলোকে বলেন, গরুর মালিক মো. মিলন মোল্লা গত বুধবার একটি ট্রাকে করে ১২টি গরু নিয়ে মাগুরা সদর উপজেলার গাংনালিয়া থেকে চট্টগ্রামের বিবিরহাট গরুর বাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে নোয়াখালী পৌঁছালে তাঁদের একটি গরু অসুস্থ হয়ে মারা যায়। এরপর মিলন সিদ্ধান্ত নেন, দুটি ট্রাকে করে গরুগুলো বিবিরহাট আনবেন। নোয়াখালী থেকেই আবদুর রহমানের গাড়িটি ভাড়া করে সেখানে একজন রাখাল দিয়ে চারটি গরু তুলে দেন। পরে দুটি ট্রাক গরু নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। আজ ভোররাতে আবদুর রহমানের গাড়িটি ফৌজদারহাট–বায়েজিদ বোস্তামী সংযোগ সড়কে এলে এ ঘটনার শিকার হয়।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে চালকের সহকারী মো. ইব্রাহিম বলেন, তাঁদের ট্রাকটি ৪ নম্বর সেতু পার হলে একটি পিকআপ ভ্যান তাঁদের গাড়ির গতি রোধ করে। এ সময় ট্রাকের বাঁ পাশে দুজন আর ডান পাশে দুজন দুর্বৃত্ত দাঁড়ায়। পরে একজন পিস্তল নিয়ে সামনে ওঠে। এ সময় চালক তাঁকে (ইব্রাহিম) জিজ্ঞেস করেছিলেন, কোথাও তিনি কোনো গাড়িকে চাপ দিয়েছিল কি না। না বলার পর চালক বুঝে যান ডাকাতের কবলে পড়েছেন। তখন গাড়ির দরজা-জানালা লক করে দিয়ে ডাকাতদের নিয়ে গাড়িটি টান দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চালককে গুলি করে এক ডাকাত।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক প্রথম আলোকে বলেন, ৯৯৯–এ ফোন পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালক আবদুর রহমানের লাশ উদ্ধার করেন। চালকের সহকারী ইব্রাহিম তাঁদের জানিয়েছেন, নোয়াখালী থেকে গাড়িটি বিবিরহাটের দিকে রওনা দেওয়ার সময় তাঁদের গাড়িটিকে অন্য একটি গাড়ি অনুসরণ করছিল। তারাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এ ঘটনায় কোনো গরু লুট হয়নি। চালক নিহত হওয়ার কারণে হত্যা মামলা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন