বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বনিক আজ শনিবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, চার বছর আগে রাসেলের সঙ্গে আমেনা খাতুনের মুঠোফোনে পরিচয় হয়। এরপর তাঁরা দুজন বিয়ে করেন। তবে সে বিয়ে মেনে নেয়নি আমেনার পরিবার। এরপর তাঁরা জামালপুর চলে যান। তাঁদের একটি পুত্রসন্তান হয়, যার বয়স এখন দুই বছর। ১৫-১৬ দিন আগে আমেনা খাতুন স্বামী রাসেলকে নিয়ে সীতাকুণ্ডের ওই কলোনিতে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। গতকাল দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হয় বলে প্রতিবেশিরা জানিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ সময় রাসেল আমেনাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যান। মায়ের লাশের পাশে তাঁদের দুই বছরের শিশুর কান্না শুনে পাশের ভাড়াটিয়ারা দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করলে কম্বল গায়ে আমেনার লাশ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পুলিশ পরিদর্শক সুমন বনিক আরও বলেন, নিহত আমেনার শরীরে কোনো দাগ বা আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে জিব সামান্য বের হওয়া ও দাঁত দিয়ে কামড় থাকায় তাঁরা ধারণা করছেন রাসেল নাক-মুখ চেপে আমেনাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন