বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সীতাকুণ্ড সার্কেল) আশরাফুল করিম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি যে স্থানে ঘটেছে, যেখানে সীতাকুণ্ড ছাড়াও পাশের আকবরশাহ ও বায়েজিদ থানার সন্ত্রাসীদের আনাগোনা থাকতে পারে। এ কারণে খুনিদের শনাক্তে জটিলতা দেখা দেয়। খুনের পর কোনো সন্ত্রাসী এলাকায় থাকে না। তাই অভিযান চালিয়েও কাউকে গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মামলাটির তদন্তকাজ চালাতে গিয়ে ইতিমধ্যে তাঁরা সন্দেহভাজন সাতজনকে চিহ্নিত করেছেন। ওই ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। সাতজনের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত, তা বের করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তিনি।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, আসামি গ্রেপ্তারে তাঁরা নিরলস কাজ করছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টির তদারকি করছেন। থানা-পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, পিবিআইসহ অন্যান্য সংস্থাও কাজ করছে। অচিরেই অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন