বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গুরুতর আহত অবস্থায় রেললাইনের পাশ থেকে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দুই দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল রাত সাড়ে তিনটার দিকে বাবলুর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি জানিয়েছেন, এলাকায় শেখ নগর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা নামের তরুণদের একটি ক্লাব রয়েছে। কয়েক বছর আগে ক্লাবটি সদস্যদের মধ্যে দ্বন্দ্বে কয়েকজন সদস্য বেরিয়ে গিয়ে রাইট অ্যাকশন নামের আরেকটি ক্লাব করেন। এর পর থেকে দুই ক্লাবের মধ্যে কর্তৃত্ব নিয়ে এক বছরে অনেকগুলো পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।

গত মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এক পক্ষ আরেক পক্ষের সদস্যদের মারধর করেন। এ ঘটনার রেশ ধরে বুধবার রাতে সাইফুলকে মারধর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন শেখ নগর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি জহিরুল ইসলামের লোকজন। এ সময় বাবলু তাঁদের বাধা দিতে গেলে তাঁকে ছুরিকাঘাত করা হয়।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় গত বুধবার বাবলুর বাবা কামাল উদ্দিন বাদী হয়ে চারজনের নামোল্লেখসহ নয়জনকে আসামি করে সীতাকুণ্ড থানায় হত্যাচেষ্টা অভিযোগে একটি মামলা করেন। বাবলু মারা যাওয়ায় সেটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ঘটনাটির তদন্ত চলছে জানিয়ে ওসি বলেন, ‘দুটি ক্লাবের মধ্যে সমস্যা থাকতে পারে। তবে স্থানীয় লোকজন সঙ্গে কথা বলে যেটুকু জেনেছেন, বুধবারের ঘটনাটা পুকুরের ঘাট ব্যবহার নিয়ে। সেটি পরে ক্লাবের দ্বন্দ্বে গড়িয়ে থাকতে পারে। বাবলু সেখানে আক্রান্ত এক যুবককে বাঁচাতে গিয়ে হামলার শিকার হন নাকি তিনি একটা পক্ষ নিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন