মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সীতাকুণ্ড থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এইচএম দেলোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার আসামিরা আদালতকে বলেছেন, বাড়ির পুকুরে ঘাট নিয়ে শেখ নগর এলাকার শাহীন নামে এক ব্যক্তির স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী সাইফুলের মায়ের কথা-কাটাকাটি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাহীনের স্ত্রীকে মারধর করে সাইফুল। পরে শাহীন ও সাইফুলের মধ্যে মারামারি বাঁধে। গত ২৭ এপ্রিল রাতে শাহীনের লোকজন সাইফুলকে মারধর করতে করতে অজ্ঞাত স্থানে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল। ঘটনাটি দেখে মো. বাবলু বাধা দেন। এ সময় শাহীনের লোকজন বাবলুকেও মারধর করে ফেলে রেখে যান। পরে বাবলু বাড়ি গিয়ে আর ১৫-২০ জন আত্মীয়-স্বজন নিয়ে পাল্টা হামলা চালান। এ সময় তাঁরা আরমান নামের একজনকে মারধর করেন। পরে আরমান একটি ছুরি নিয়ে বাবলুর পেটে ঢুকিয়ে দেন। আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন বাবলুকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এক দিন নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকার পর বাবুল মারা যান।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার পর থেকে আসামিরা সৈয়দপুর ইউনিয়নের বসরতনগর বেড়িবাঁধের কাছে গিয়ে গা–ঢাকা দেন। গত মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে ঈদ করতে এলে তাঁরা অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা এ ঘটনায় করা মামলার এজাহার নামীয় আসামি বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন