ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, হুইসেল দিয়ে বিজিবি সদস্যরা লাঠি হাতে তাড়া করেছেন। তাঁদের দেখে সৈকতে আসা লোকজন দলে দলে ফাঁকা ফসলি জমির ওপর দিয়ে দৌড়াচ্ছে। অনেকে জমির আল থেকে পড়ে যায়। ওঠে আবার ভোঁ–দৌড়।

বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শওকত আলী জাহাঙ্গীর প্রথম আলোকে বলেন, কঠোর লকডাউনের দু–তিন দিন পর থেকে আকিলপুর ও বাঁশবাড়িয়া সৈকতে লোকজন বাড়তে থাকে। তিনি গ্রাম পুলিশ দিয়ে সৈকতে আসা লোকজনকে সরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। গতকাল বিকেলে হাজার হাজার লোক সৈকতে জড়ো হতে থাকে। বিষয়টি তিনি ইউএনওকে জানান। পরে ইউএনও বিজিবি পাঠান।

ইউএনও কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১ জুলাই থেকে গতকাল পর্যন্ত সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোট ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকালই ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ইউএনও মো. শাহাদাত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, দিনভর অভিযান পরিচালনা করেও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না। মানুষকে নানাভাবে সচেতন করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন। একদিকে অভিযান চালালে অন্যদিকে লকডাউনের বিধিনিষেধ ভেঙে ভিড় করছে মানুষ।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাঁরা মহাসড়ক ও অলিগলিতে অভিযান চালিয়ে স্থানীয়দের সতর্ক করছেন। কিন্তু মানুষ মানছে না। তারা কাঁচাবাজার ও ওষুধের কথা বলে ঘর থেকে বের হচ্ছেই।