বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত অভির বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। তিনি চট্টগ্রাম নগরের একটি স্বর্ণের দোকানের ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ঘটনার পর ২৮ অক্টোবর নিহত জ্যোতির বাবা রাম চন্দ্র সূত্রধর বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অভি ধরকে আসামি করেছিলেন।

পুলিশ পরিদর্শক সুমন বণিক প্রথম আলোকে বলেন, গত সাত দিন ধরে পুলিশি পাহারায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন ছিলেন অভি। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে দশটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

সীতাকুণ্ড থানার উপপরিদর্শক (এসআই) টিবলু কুমার মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, মামলার এজাহারে রাম চন্দ্র সূত্রধর উল্লেখ করেছেন যে দুই বছর আগে জ্যোতিকে ভালোবেসে বিয়ে করেন অভি। প্রথম দিকে উভয়ের পরিবার এই বিয়ে মেনে নেয়নি। ফলে ওই দম্পতি চট্টগ্রাম নগরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে আলাদাভাবে সংসার করছিলেন। সম্প্রতি অভি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ায় তাঁদের দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। জ্যোতি তাঁর বাবার বাড়ি সীতাকুণ্ড চলে যান। অভি তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে সংসার করার চেষ্টা করেন। গত ২৭ অক্টোবর রাতে জ্যোতিদের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মায়ের সামনে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন অভি। পরে নিজের পেটে ছুরি ঢুকিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন অভি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন