বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওঙ্কারের প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভোটের দিন সকালে আনোয়ারা উপজেলার সিংহরা রামকানাই উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন ওঙ্কার। ধনঞ্জয় দত্ত নামের এক সদস্য প্রার্থীর হয়ে কাজ করছিলেন তিনি। ভোট দিয়ে ফেরার সময় আরেক সদস্য প্রার্থী রঘুনাথ সরকারের লোকজনের সামনে পড়েন তিনি। ওঙ্কারের সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি হলে একপর্যায়ে তাঁরা লাঠিসোঁটা ও ইট দিয়ে আঘাত করেন তাঁকে। ওই সময় স্থানীয় লোকজন আনোয়ারা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটার দিকে ওঙ্কারের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আত্মীয়স্বজন তাঁর মরদেহ সৎকার করছিলেন। ওই সময় ওঙ্কারের স্ত্রী ও স্বজনদের বিলাপে চোখ ভিজে আসছিল উপস্থিত সবার। স্থানীয় লোকজনও ওই সময় খুনিদের বিচারের আওতায় আনার দাবি করেন।

নিহত ওঙ্কারের বোন গীতা সেন বলেন, ‘আমার ভাইকে এনে দিন। আমরা আর কিছুই চাই না।’

ওঙ্কারের মা দীপ্তি দত্ত বলেন, ‘আমরা ঘটনার সময় শহরে ছিলাম। তার স্ত্রীও বাপের বাড়ি ছিল। শুনেছি ইউপি সদস্য প্রার্থী রঘুনাথ সরকারের লোকজন আমার ছেলেকে ইট দিয়ে আঘাত করায় সে মারা গেছে। আমরা এর বিচার চাই।’

চাতরী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘নিহত ওঙ্কার ব্যবসার পাশাপাশি যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। আমি এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করছি।’

আনোয়ারা থানার উপপরিদর্শক মো. কায়েমুল বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

প্রসঙ্গত, চাতরী ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আফতাব উদ্দিন চৌধুরী। এখানে সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ভোট গ্রহণ হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন