বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্বম্ভরপুরের ৫ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩০ জন। এর মধ্যো চার ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আছেন ছয়জন। এ ছাড়া তিনটিতে জাতীয় পার্টির দলীয় প্রার্থী আছেন। ফলে এসব ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিদ্রোহীদের পাশাপাশি জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের চাপেও আছেন।

দিরাই উপজেলার নয়টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫৩ জন। এর মধ্যে ৮টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আছেন ১৭ জন। তবে এ উপজেলার কোনো ইউপিতেই জাতীয় পার্টির দলীয় কোনো প্রার্থী নেই।

প্রায় প্রতিটি ইউপিতেই বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এতে নির্বাচনে জয় পাওয়া কঠিন হবে বলে মনে করছেন দলীয় প্রার্থীরা।

বিশ্বম্ভরপুরের ধনপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন হযরত আলী। তিনি বলেন, ‘দল ক্ষমতায় আছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি এলাকার মানুষের জন্য কাজ করেছি, উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছি। কিন্তু এখন নির্বাচনে নিজের দলের লোকের সঙ্গেই লড়াই করতে হচ্ছে। কিছু লোক তো বিদ্রোহী প্রার্থীর সঙ্গেও আছেন। মূলত দলের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় পরিশ্রম করতে হচ্ছে বেশি। বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলে জয় সহজ হতো।’

একই উপজেলার পলাশ ইউপির আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুল আলম সিদ্দিকী বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে চাপে থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, গত নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে পরাজিত হওয়ার পরও এবার অনেকে নৌকার প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন। আবার দলের অঙ্গসংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদধারী ব্যক্তিরা দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। এরা দলের লোক হয়ে দলের ক্ষতি করছেন। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলার নেতাদের কাছে দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল কবির ইমন বলেন, বিদ্রোহীদের বিষয়ে দল কঠোর অবস্থানে আছে। গত নির্বাচনগুলোতে দেখা গেছে, বিদ্রোহীদের কারণে অনেক ইউপিতেই দলের প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন। যাঁরা দলের পদে থেকে প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের বহিস্কার করা হয়েছে। তবে যাঁরা পদে নেই অথচ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন, নৌকার পরাজয়ে ভূমিকা রাখছেন, ভবিষ্যতে তাঁরা দলে কোনো পদ পাবেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন