default-image

সুনামগঞ্জের হাওরে এখন চলছে বোরো ধান তোলার মৌসুম। দিনরাত ব্যস্ত কৃষক পরিবারের লোকজন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কাজ করতে হয় হাওরে। কিন্তু বৈশাখের শুরু থেকে রয়েছে কড়া রোদ। টানা রোদ আর ভ্যাপসা গরমে জনজীবনে ছিল অস্বস্তি। এ অবস্থায় আজ বুধবার সকালের এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে যেন স্বস্তি ফিরেছে মানুষের মনে। সকাল ছয়টা থেকে সাতটা পর্যন্ত এ বৃষ্টি হয়।

সুনামগঞ্জে পৌর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা এনাম আহমেদ জানান, সুনামগঞ্জে এ সময়ে বৃষ্টি হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু এবার বৈশাখ মাসের শুরু থেকে বৃষ্টির দেখা নেই। উল্টো তপ্ত রোদ। এতে শ্রমজীবী ও হাওরের ফসল তোলায় থাকা কৃষক পরিবারের লোকজনের কষ্ট হচ্ছে বেশি। বিশেষ করে চার-পাঁচ দিন ধরে তাপমাত্রা বেশি থাকায় নানাভাবে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মানুষদের। তিনি বলেন, আজ সকালে এ মৌসুমের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলা যায়। এতে ভালো লাগছে। তাপমাত্রাও কমেছে মনে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচার হাওরপারের ধনপুর গ্রামের কৃষক আমির আলী বলেন, রোদ বেশি হলে হাওরে কাজ করতে কষ্ট হয়। এবার বৃষ্টি হয়েছে কম। খরার কারণে ফলনও কম হয়েছে। আজ ঘণ্টাখানেক বৃষ্টি হওয়ায় ভালো হয়েছে। রোদের তেজ ও গরম কিছুটা কমেছে।

জানতে চাইলে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান বলেন, এ মাসে সুনামগঞ্জে ভারী বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে মে মাসের শুরু থেকে বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় অন্য বছর সুনামগঞ্জে বৃষ্টি হতো, তবে এবার সে তুলনায় বৃষ্টি কম হয়েছে। আজ যে বৃষ্টি হয়েছে, এতে ফসলের কোনো ক্ষতি হবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন