default-image

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে ঢাকার বাসে তুলে দেওয়ার কথা বলে ইজিবাইকচালক ও তাঁর সহযোগী দুই পোশাককর্মী তরুণীকে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই দুই তরুণী বর্তমানে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান–স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁদের একজনের বয়স ২১ বছর, অপরজনের বয়স ১৮ বছর। দুজনের বাড়ি জামালগঞ্জ উপজেলার এক গ্রামে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক পোশাককর্মীর বাবা বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতে জামালগঞ্জ থানায় দুজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। অভিযুক্ত দুই আসামি হলেন জামালগঞ্জের আলমগীর মিয়া (২৫) ও আবুল কালাম (২৬)।

ওই দুই তরুণী বর্তমানে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান–স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁদের একজনের বয়স ২১ বছর, অপরজনের বয়স ১৮ বছর।
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, জামালগঞ্জ উপজেলার ওই দুই পোশাককর্মী ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। লকডাউনের আগে আগে তাঁরা পরিবারের সঙ্গে জামালগঞ্জের বাড়িতে আসেন। এখন আবার কারখানা খুলেছে খবর পেয়ে গত সোমবার তাঁরা দুজন ঢাকার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। উপজেলা সদরে গিয়ে ঢাকার বাস ধরার জন্য আবুল কালামের ইজিবাইকে ওঠেন তাঁরা। এ সময় আবুল কালাম ইজিবাইকে আলমগীর নামের আরেকজনকে নেন। জামালগঞ্জ খেয়াঘাটে আসার পর আবুল কালাম জানান, ঢাকার বাস চলাচল করে না। তখন ওই ইজিবাইকে করেই আবার বাড়িতে ফেরার জন্য রওনা দেন তাঁরা। পথে কালাম ও আলমগীর ওই দুই নারীকে কোমল পানীয় পান করান। একপর্যায়ে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাস্তার পাশের জমিতে নিয়ে তাঁদের ধর্ষণ করেন কালাম ও আলমগীর। এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার হুমকি দিয়ে তাঁদের সেখানে রেখে চলে যান কালাম ও আলমগীর।

রাত ১১টার দিকে হাওর থেকে ফেরার পথে গ্রামেরই আরেক ব্যক্তি তাঁদের পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের লোকজনকে খবর দেন। এরপর তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে রাতেই পাঠানো হয় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে।

জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল আলম বলেন, এ ঘটনায় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পলাতক। পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন