বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় আসেন। এরপর তিনি উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চবিদ্যালয় ও আমবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা বানভাসি মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন। পরে তিনি পাশের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার কিছু জায়গায় ত্রাণ বিতরণ করেন।

বেনজীর আহমেদ এ সময় বলেন, ‘স্মরণকালের ভয়াবহ এই বন্যায় সুনামগঞ্জের দুর্গম এলাকায় গিয়ে বানভাসিদের খোঁজ নেওয়া জরুরি। বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে, এটি একটি ভালো খবর। আমরা চেষ্টা করছি সুনামগঞ্জের রিমোট এলাকা যেগুলো আছে, সেখানে যাওয়ার। যেখানে সহজে যাওয়া যায়, পৌঁছানো যায়, সেখানে তো সবাই যায়।’

default-image

এ সময় অন্যদের মধ্যে পুলিশের সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মফিজ উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদার, সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার সম্পা ইয়াসমিন প্রমুখ ছিলেন।

র‍্যাব প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন দুপুরে সদর উপজেলার সোনাপুর ও ভাদের টেক এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করেন। এ সময় তিনি বলেন, বন্যা শুরু হওয়ার পর থেকে র‍্যাব সদস্যরা অসহায় মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা দিচ্ছেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো এলাকায় কিছু কিছু ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বলে কেউ কেউ বলছেন। সুনির্দিষ্টভাবে কেউ অভিযোগ জানাননি। এরপরও বিভিন্ন স্থানে টহল জোরদার করা হয়েছে। অপরাধীরা ছাড় পাবে না। সবখানেই আমাদের লোক আছে।’

ত্রাণ বিতরণ ও দুর্গত এলাকা পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে র‍্যাবের সুনামগঞ্জ কোম্পানি কমান্ডার সিঞ্চন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন