বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জে মাধ্যমিকপর্যায়ে স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসংখ্যা ১ লাখ ৭৩ হাজার ১৪৫। এর মধ্যে স্কুলের ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬২৯ এবং মাদ্রাসার ৩৭ হাজার ৫১৬ জন। গত ১৪ ডিসেম্বর থেকে এসব শিক্ষার্থীকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। গতকাল বুধবার পর্যন্ত জেলায় স্কুল ও মাদ্রাসার ১ লাখ ২২ হাজার ৩০৩ শিক্ষার্থী টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছে।

১২ থেকে ১৮ বছরের শিক্ষার্থীরা টিকা গ্রহণ ছাড়া শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না—এই ঘোষণার পর টিকা নিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে এসেছে কেন্দ্রে।

টিকাকেন্দ্রে কথা হয় জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহকারী পরিদর্শক মো. নূর জালালের সঙ্গে। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার দিনক্ষণ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেকেই নির্ধারিত দিনে আসতে পারেনি। সব উপজেলাতেই শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। এখন দেওয়া হচ্ছে যারা বাদ পড়েছে সেসব শিক্ষার্থীকে। তিনি বলেন, ১৬ জানুয়ারি থেকে জেলায় শিক্ষার্থীদের টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কথা রয়েছে। এ কারণে যারা প্রথম ডোজ দেয়নি, তাদের বৃহস্পতিবার দেওয়া হবে জানানোয় সবাই এক দিনে এসে ভিড় করেছে। এক দিনে অন্তত পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী এসেছে, যে কারণে চাপটা বেশি। তবে সুনামগঞ্জে শিক্ষার্থীদের টিকা নেওয়ার হার ভালো।

default-image

সদর উপজেলার চরমহল্লা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সজল কান্তি দাস বলেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠানের ১১০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯০০ জন আগেই টিকা নিয়েছে। এখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন ভর্তি হওয়া এবং যারা বাদ পড়েছিল, তাদের টিকা দিতে কেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন তারা। জয়নগর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জহিরুল ইসলাম বলেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আগে টিকা নেয়নি। কাগজপত্র ঠিকঠাক করতে সময় বিলম্ব হওয়ায় তারা আগে দিতে পারেনি। তাই বৃহস্পতিবার সবাইকে নিয়ে এসেছেন।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের আরেক সহকারী পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বলেন, টিকা নিতে শিক্ষার্থীরা আগ্রহী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী টিকা দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা নির্ধারিত সময়ে সব শিক্ষার্থীর টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করবেন বলে জানান।

সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ শামস উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, শৃঙ্খলার স্বার্থেই শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে টিকাকেন্দ্রে নিয়ে আসেন। এ কারণে ভিড় একটু বেশি হয়। জেলায় শিক্ষার্থীদের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। ১৬ তারিখ থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কথা। তবে সেটা নির্ভর করে টিকাপ্রাপ্তির ওপর।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন