default-image

সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নিয়ে বিতর্কে না জড়াতে জেলাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাওর এলাকার মানুষকে ভালোবেসে এই বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিয়েছেন। জেলাবাসী তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটাই চূড়ান্ত।
সুনামগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানকে অভিনন্দন জানিয়ে আয়োজিত এক সমাবেশে মুঠোফোনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার শান্তিগঞ্জ বাজারে আজ বুধবার দুপুরে এই সমাবেশ হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ অংশ নেন। সমাবেশের আগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হয়। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের বাড়িও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায়।
গত ২ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ বিল অনুমোদন লাভ করে। এরপর বিলটি ৭ সেপ্টেম্বর সংসদে উত্থাপিত হয়। পরে এ–সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় বিশ্ববিদ্যালয়টি দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার শান্তিগঞ্জ এলাকায় স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, জেলা ও জেলার বাইরের মানুষের যাতায়াত, যোগাযোগসহ সার্বিক দিক বিবেচনায় তাঁরা একটি স্থান প্রস্তাব করেছেন। এ নিয়ে কোনো বিভেদ নয়, উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে এক থাকতে হবে।
আঞ্চলিকতায় বিশ্বাস করেন না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, শান্তিগঞ্জ এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের পাশে। জেলা শহর থেকে দূরত্ব ১৪-১৫ কিলোমিটার। পাশেই মেডিকেল কলেজ হচ্ছে। এই পথ দিয়ে মানুষ সুনামগঞ্জে প্রবেশ করে। সব উপজেলার মানুষের যোগাযোগ এদিকে সহজ। একসময় জেলা শহর আর শান্তিগঞ্জ মিলে বড় একটি শহর হবে।
সমাবেশে এলাকার প্রবীণ শিক্ষক আবদুর রউফ সভাপতিত্ব করেন। সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নূর হোসেন, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দে, পরিকল্পনামন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব হাসনাত হোসাইন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফজলে রাব্বী, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রয়েল আহমদসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা।

মন্তব্য পড়ুন 0