বিজ্ঞাপন

লিখিত অভিযোগে মনু মিয়া উল্লেখ করেছেন, গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় ২০২০-২০২১ অর্থবছরে তাঁর (মনু মিয়া) বাড়ি থেকে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তার মাটি ভরাটের জন্য ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দ পাওয়ার আগেই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন তাঁকে বলেন, রাস্তার মাটির কাজ তিনি যেন করে ফেলেন। বরাদ্দ পেলে স্থানীয় ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সমুজ মিয়া তাঁকে ওই টাকা দিয়ে দেবেন।

ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি (মনু মিয়া) রাস্তায় মাটি ভরাটের কাজ করেন। গ্রামের লোকজনও বিষয়টি জানেন। কিন্তু তিনি রাস্তা ভরাট করার কাজের কোনো টাকা পাননি। পরে তিনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ওই কাজের জন্য বরাদ্দ করা টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বারবার চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সদুত্তর পাননি তিনি।

মনু মিয়া বলেন, ‘চেয়ারম্যানের কথায় আমি কাজ করেছি। তাঁর টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু তিনি টাকা দেই-দিচ্ছি করতে থাকলে আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ওই টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা মিলে এই টাকা আত্মসাৎ করেছেন।’

ইউপি সদস্য সমুজ মিয়া বলেন, ‘ওই কাজের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি আমি। এক অংশের মাটি ভরাটের কাজ করেছেন মনু মিয়া। এ জন্য তাঁকে আমি ১ লাখ ৮৩ হাজার টাকা দিয়েছি। অথচ তিনি টাকা পাননি বলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, এই অভিযোগ মিথ্যা।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন বলেন, ‘আমি টাকা আত্মসাৎ করব কেন, এই কাজ তো আমি করিনি। মনু মিয়া ও ইউপি সদস্য সমুজ মিয়া এ কাজের বিষয়ে জানেন। কাজের টাকা নিয়ে তাঁদের মধ্যে সমস্যা হচ্ছে বলে মনু মিয়া আমাকে জানিয়েছেন। আমি তাঁদের নিয়ে বসে বিষয়টি মীমাংসা করে দেব বলে জানিয়েছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন