বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাস চলাচল বন্ধ থাকায় সুনামগঞ্জে আসা অনেক পর্যটক সমস্যায় পড়েছেন। অনেকেই টিকিট কেটেও নির্ধারিত গন্তব্যে যেতে পারছেন না। আবার যাঁরা নিজেদের প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাবেন, তাঁরাও আটকা পড়েছেন। হবিগঞ্জের বাসিন্দা একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা নির্মল দেব বলেন, ‘আমি একটি কাজে সুনামগঞ্জে এসেছিলাম। আজই ফেরার কথা। কিন্তু সকালে বাসের কাউন্টারে এসে শুনি বাস চলাচল বন্ধ।’

ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা আহসান হাবিব বলেন, ‘টাঙ্গুয়ার হাওরে আমরা কয়েকজন বেড়াতে এসেছিলাম। আজ সকালে ফেরার জন্য বাসের টিকিটও নেওয়া ছিল। সকালে কাউন্টারে আসার পর জানানো হয়, বাস চলবে না। কখন চলবে সেটিও নিশ্চিত করে জানানো হয়নি। তাই কাউন্টারেই অপেক্ষা করছি।’

সুনামগঞ্জের পরিবহনশ্রমিকদের অভিযোগ, সুনামগঞ্জ থেকে প্রতিদিন যেসব যাত্রীবাহী বাস ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যায়, সেসব বাস সিলেটের কুমারগাঁও এলাকার তেমুখী বাইপাসে যাওয়ার পর প্রতিটি বাস থেকে টাকা আদায় করে একটি চাঁদাবাজ চক্র। দীর্ঘদিন ধরে এই চাঁদাবাজি চলছে। সিলেট শ্রমিক ইউনিয়নের নামে এই চাঁদা তোলা হয়। এর কোনো বৈধতা নেই। চাঁদ না দিলে শ্রমিকদের মারধর করা হয়। বিষয়টি সিলেটের পরিবহননেতা, প্রশাসন ও পুলিশকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই তাঁরা কর্মবিরতির ডাক দেন।

সুনামগঞ্জ জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেজাউল করিম আজ বেলা দুইটায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের বৈঠক চলছে। সন্তোষজক সমাধান না হলে আমাদের কর্মবিরতি চলবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন