বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সুন্দরবনে বাড়ছে লবণাক্ততা। এ কারণে সংকুচিত হচ্ছে মিঠাপানি আঁধার। এতে বাঘের জীবনচক্র নিয়ে উদ্বেগ আছে?

এম এ আজিজ: সুন্দরবনে বাঘের জীবনচক্র সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের কাছে খুব বেশি তথ্য নেই। গবেষণার অপ্রতুলতা এর প্রধান কারণ। লোনাপানি বাঘের জীবনচক্রের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, সেটি আমরা খুব বেশি জানি না। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সুন্দরবনে বাঘের দীর্ঘ মেয়াদে বেঁচে থাকা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ রয়েছে। যেমন: ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ সুন্দরবনের ওপর নেতিবাচক চাপ তৈরির সঙ্গে সঙ্গে বনের নানা প্রাণীর জীবনচক্রকেও প্রভাবিত করে, এটি বলা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগের হার ক্রমাগতভাবে বেড়ে চলেছে সুন্দরবনসহ উপকূলীয় এলাকায়। এ কারণে সুন্দরবনের যে ৭০ শতাংশ ভূমি রয়েছে, তার একটি বড় অংশ এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় প্লাবিত হয়। এতে সুন্দরবনে মিঠাপানির যেসব উৎস (খননকৃত পুকুর) রয়েছে, তা লবণাক্ত হয়ে বন্য প্রাণীর জন্য অনুপযুক্ত হয়ে পড়ছে। বাঘসহ স্তন্যপায়ী প্রাণীরা বেশি সমস্যায় পড়ছে।

বাঘের প্রজনন, বেড়ে ওঠা ও টিকে থাকার অনুকূল পরিবেশ সংরক্ষণে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত?

এম এ আজিজ: হরিণের চোরা শিকার বন্ধ করতে হবে। স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে বনের ওপর তাদের নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। সুন্দরবনে মিঠাপানির জন্য পুকুর সংস্কার ও নতুন পুকুর তৈরি করতে হবে। পুকুরের পাড় উঁচু করতে পারলে দুর্যোগকালে বাঘ ও অন্য প্রাণীরা সেখানে আশ্রয় নিতে পারবে। এসব নিয়ে গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি ও উদ্যোগ নিতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন