বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুর রাজ্জাক প্রথম আলোকে বলেন, ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিআইডব্লিউটিএর প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

তবে বিআইডব্লিউটিএর হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তে স্থানীয় ট্যুর অপারেটররা বিপাকে পড়েছেন। ভ্রমণের মৌসুমে এই নিষেধাজ্ঞার কারণে তাঁরা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। ট্যুর অপারেটররা বলছেন, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখনো কোনো পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে যাত্রী সীমিত করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেগুলো না করে সরাসরি সুন্দরবনের পর্যটকবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সুন্দরবন ট্যুরিজমের মালিক মো. এনামুল হক বলেন, সাধারণত সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে আগে থেকেই নৌযান বুকিং দেওয়া হয়। যাঁরা বৃহস্পতিবার রাতে সুন্দরবনে যাবেন, তাঁরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গা থেকে খুলনার উদ্দেশে বেরিয়ে পড়েছেন। হঠাৎ এই নিষেধাজ্ঞা জারির পর ট্যুরিস্ট অপারেটরদের মধ্যে একধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

সুন্দরবনে ট্যুর অপারেটরদের সংগঠন ট্যুরিস্ট অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আজম বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত সব ট্যুর অপারেটরের নৌযান বুকিং দেওয়া আছে। অধিকাংশ ট্যুর অপারেটর অগ্রিম টাকা নিয়ে খরচও করে ফেলেছেন। এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা কী করবেন, সেটা কেউ বুঝে উঠতে পারছেন না।

নাজমুল আজম বলেন, অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বিআইডব্লিউটিএর প্রধান কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ভ্রমণের ব্যাপারে সরকার এখনো নিষেধাজ্ঞা দেয়নি, সেটা বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তাদের বোঝানো হয়েছে। অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা বাতিল চেয়ে বিআইডব্লিউটিএতে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন