বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলার সাউথখালী গ্রামের এইচডি মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপার অহিদুল ইসলাম মাদ্রাসার মেহগনি ও চাম্বল প্রজাতির ২৮টি গাছ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকায় এক কাঠ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন। এক সপ্তাহ ধরে ওই ব্যবসায়ী লোকজন নিয়ে গাছগুলো কাটেন। গত শুক্রবার সকালে গাছগুলো মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে ভ্যানগাড়িতে করে নেওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন বাধা দেন। খবর পেয়ে উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কে এম আল শাহারিয়ার গাছগুলো নিজের জিম্মায় রাখেন।

কে এম আল শাহারিয়ার বলেন, কাটা গাছগুলোর বাজার মূল্য দেড় লাখ টাকা। অথচ মাদ্রাসার সুপার মাত্র ৫৯ হাজার ৫০০ টাকায় গাছগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন।

মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সভাপতি আবদুল গাফফার হাওলাদার বলেন, গোপনে প্রতিষ্ঠানটির সুপার মাদ্রাসার গাছগুলো কম দামে বিক্রি করেছেন। প্রতিষ্ঠানের মাঠ ভরাটের প্রয়োজন হলে তার জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সম্পদ নষ্ট করে এ ধরনের কাজ করা তাঁর (সুপারের) ঠিক হয়নি।

তবে মাদ্রাসার সুপার অহিদুল ইসলাম দাবি করেন, মাদ্রাসার ভবন ও আশপাশের লোকজনের জমির ক্ষতি হওয়ার কারণে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে। ওই গাছ বিক্রির টাকা দিয়ে মাদ্রাসার মাঠ ভরাট করা হবে। ২০২০ সালে রেজল্যুশন করে গাছ কাটার জন্য তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সভাপতি হোসাইন মোহাম্মাদ আল মুজাহিদের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল।

হোসাইন মোহাম্মাদ আল মুজাহিদ বর্তমানে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় কর্মরত। গতকাল রোববার মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘আমি গাছ কাটার কোনো অনুমতি দিইনি।’

ইউএনও লুৎফুন্নেছা খানম বলেন, ‘সুপার আমাকে জানান, আগের ইউএনওর কাছ থেকে গাছ কাটার জন্য অনুমতি নিয়েছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন