বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ হামলার ঘটনায় চশমা প্রতীকের আহত দুই সমর্থক হলেন মো. খলিল উল্যাহ (৫৫) ও মো. ফারুক (২৮)। তাঁদের স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত খলিল উল্যাহকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া হামলার ঘটনায় আহত আওয়ামী লীগের প্রার্থীর তিন কর্মী হলেন ছায়েদুল হক (৫০), আবদুর রহিম ওরফে বাসু (২৫) ও মো. রাকিব (২৪)।

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মনির হোসেন অভিযোগ করেন, বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে নৌকার প্রার্থী আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একদল সন্ত্রাসী অতর্কিতে আল-আমিন বাজারে তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর চালায়। তারা এ সময় কার্যালয়ে বসা দুই সমর্থককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে এবং কার্যালয়ের ভেতরের চেয়ার, টেবিল, সাউন্ড সিস্টেমসহ সবকিছু ভাঙচুর ও তছনছ করে।

মনির হোসেন বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে নৌকার প্রার্থী আবদুল মান্নানের লোকজন তাঁর সমর্থকদের নানা হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন।

মনির হোসেন বলেন, ঘটনার পরপরই তিনি বিষয়টি তিনি পুলিশকে জানান। পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে আসে। মনির হোসেন দাবি করেন, নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে নৌকার প্রার্থী আবদুল মান্নানের লোকজন তাঁর সমর্থকদের নানা হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। বুধবার রাতে সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে তাঁরা তাঁর কার্যালয়ে তাণ্ডব চালিয়েছেন।

তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কার্যালয়ে ভাঙচুর ও তাঁর দুই সমর্থককে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নৌকার প্রার্থী আবদুল মান্নান ভূঁইয়া। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, তাঁর কোনো লোক চশমা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করেননি। বরং বুধবার সন্ধ্যায় চশমা প্রতীকের সমর্থকেরাই ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চর কাজি মোখলেছে তাঁর প্রচারকাজে নিয়োজিতে গাড়িতে হামলা ও মাইক ভাঙচুর করেন। হামলায় তাঁর তিন কর্মী ছায়েদুল হক, আবদুর রহিম ও মো. রাকিব আহত হয়েছেন। ওই হামলার ঘটনা ঢাকার জন্য চশমা প্রতীকের প্রার্থী তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলার নাটক সাজিয়েছেন।

সুবর্ণচরের চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, নির্বাচনী বিরোধে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বুধবার সন্ধ্যায় ও রাতে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। মামলার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন