বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রধান অতিথির উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে নোয়াখালীর দশম থানা হিসেবে ভাসানচর থানার যাত্রা শুরু হলো। ভাসনচর বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা মোহনায় জেগে ওঠা একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। এর দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটার, প্রস্থ ৬ কিলোমিটার। আয়তন ৬৫ বর্গকিলোমিটার। হাতিয়া উপজেলা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার পূর্বে এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলা থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পূর্বে এই দ্বীপের অবস্থান। হাতিয়ার চরইশ্বর ইউনিয়নের ছয়টি মৌজা নিয়ে এই থানা গঠিত।

ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প-৩–এ বসবাসকারী মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাসহ অন্যদের নিরাপত্তায় ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিতের জন্য একজন পুলিশ পরিদর্শক (অফিসার ইনচার্জ), দুজন উপপরিদর্শক (এসআই), চারজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই), ১৭ জন কনস্টেবলসহ মোট ২৪টি পদ নিয়ে ভাসানচর থানার যাত্রা শুরু হলো।

থানার কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই গত ২৭ এপ্রিল রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তাসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ভাসানচর অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পে জেলা পুলিশের একজন পরিদর্শকসহ নারী ও পুরুষ সদস্য মিলে ৪৩ জন সদস্য, এপিবিএনের ২৩৫ সদস্য, এসবি ঢাকার ১০ জন সদস্য নিয়োজিত হন। বর্তমানে ভাসানচরে ৩ হাজার ৭৬২ জন রোহিঙ্গা বসবাস করছে। থানা গঠিত হওয়ায় তাদের নিরাপত্তাসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন