মাছটির বিক্রেতা বেলাল মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগেও প্রায় ১৫০ কেজি ওজনের বাগাড় মাছ বিক্রি করেছি। আজ যেটি বাজারে তোলা হয়েছে, সেটি মাঝারি আকারের। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ১০০ কেজির বলা হলেও মাছটির ওজন ৭৯ কেজির কিছু বেশি। পুরো মাছ কেনার জন্য দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। এ জন্য মাছটি কেটে কেজি দরে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

বেলাল মিয়া বলেন, বাজারে আসা অনেকেই কেজি দরে মাছ কিনতে নাম ও মুঠোফোন নম্বর দিয়ে গেছেন। ক্রেতা বাজারে পাওয়া না গেলে মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। মাছটির কেজি দেড় থেকে দুই হাজার টাকায় বিক্রি করবেন বলে জানান তিনি।

বাজারে মাছ দেখতে আসা নগরের শাহজালাল উপশহর এলাকার বাসিন্দা সাইদ আহমদ বলেন, ‘বাগাড় মাছ খুবই সুস্বাদু। চার মাস আগে ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজিতে ৩ কেজি মাছ কিনেছিলাম। আজও বাজারে বাগাড় মাছ উঠেছে শুনে কিনতে এসেছি।’

লালবাজার মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলজার আহমদ বলেন, বাজারে প্রায়ই বাগাড় মাছ বিক্রির জন্য ব্যবসায়ীরা নিয়ে আসেন। মাছটি সুস্বাদু। ক্রেতাও আছেন। তবে বড় মাছ হলে পুরো মাছ কেনার মতো তেমন ক্রেতা থাকেন না। এ জন্য কেজি দরে বিক্রি করতে হয়। আবার হোটেল ব্যবসায়ীরা মাঝেমধ্যে কিনে নিয়ে যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন