এবাদুল বলেন, ‘সুলতান সুলেমানকে প্রতিদিন কাঁচা ঘাস, খড়, গমের ভুসি, চালের কুঁড়া, ভুট্টা, ডালের গুঁড়া, ছোলা, খুদের ভাতসহ সম্পূরক কিছু খাবার দিই। সব মিলিয়ে গরুটি প্রতিদিন গড়ে ৫০-৬০ কেজি খাবার খায়। শুরুর দিকে খাবার কম খেলেও দিনে দিনে এর খাবারের চাহিদা অনেক বেড়েছে। প্রতি মাসে এটির পেছনে ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা খরচ হয়।’

এবাদুল বলেন, এ ধরনের গরু লালন-পালন বেশ কষ্টকর। খামারের ১২টি গরু ২০১৮ সালে বিক্রি করে দিয়েছেন। এখন এই গরু আর একটা বাছুর রয়েছে তাঁর খামারে। সুলতান সুলেমানকে পরিবারের অন্য সদস্যের মতো করেই তিনি পালন করেছেন। পরিবারের সবাই মিলে যত্ন নিয়ে বড় করেছেন। অনেক শ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। ভালো দাম পেলেই গরুটি বিক্রি করে দিতে চান তিনি।

তবে চলমান লকডাউনের কারণে গরুটি বাড়িতে রেখেই অনলাইনে ছবি ও বিবরণ দিয়ে বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। দুজন ক্রেতা গরুটির দাম করছেন ১৩ থেকে ১৫ লাখ টাকা। কিন্ত এত কম দামে গরুটি বিক্রি করবেন না বলে জানান তিনি। এ কারণে গরু বিক্রি করা নিয়ে এবাদুলের মনে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে।

ওই এলাকার বাসিন্দা মো. নাজমুল আহসান বলেন, এবাদুল নিজ হাতে গরুটিকে লালন-পালন করছেন। এখন গরুটির ওজন ৩৬ মণ। গ্রামে আগে কেউ এত বড় ষাঁড় লালন-পালন করেননি। তাই এই গরুকে দেখতে মানুষ প্রতিদিন ভিড় করে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন তারেক আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই গরু লালন-পালনে খামারি এবাদুলকে সব সময় প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। গরুটি তিনি নিজেও দেখেছি। এখন পর্যন্ত তাঁর দেখামতে উপজেলায় এটাই সব চেয়ে বড় গরু।’