বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে বলে জানিয়ে আল মঈন বলেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে আসায় আমরা অনেক তথ্য পেয়েছি। নিরাময়ের জন্য মাদক নিরাময় অধিদপ্তর কর্তৃক যে ক্রাইটেরিয়া দেওয়া আছে সেগুলো এখানে অনুপস্থিত।

যারা এখানকার সেবা গ্রহীতা ছিল তাদেরকে যে খাবার দেওয়া হতো তার মান অত্যন্ত খারাপ ছিল। এখানে সর্বদা চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও তা ছিল না। এ রকম বেশ কিছু অনিয়ম পাওয়া গেছে।’

র‌্যাবের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এখানকার মালিকসহ যে ৫ জন কর্মচারী রয়েছেন তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিরাময় কেন্দ্রটিতে প্রয়োজনের তুলনায় জনবল কম ছিল। যখন এ কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছিল তখন অনুমোদনহীন অবস্থায় চালু করা করা হয়েছিল। মাদক নিরাময় অধিদপ্তর কর্তৃক কেন্দ্রটি যখনই পর্যবেক্ষণ করা হয় তখনই কেবল প্রয়োজনীয় জিনিস দেখানো হয়েছিল। পরে সেগুলো তাঁদের ইচ্ছামতো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। যে পরিমাণ বিছানা থাকার কথা তা নেই। তুলনামূলক বেশি রোগী রাখা হয়েছে, ভালো বাসস্থান নেই।

র‌্যাব কর্মকর্তা আল মঈন বলেন, ‘এটা একটা মাদক নিরাময় কেন্দ্র হলেও যারা পরিচালনা করছেন আসলে তাঁরা মালিকসহ সবাই মাদকাসক্ত হিসেবে আমাদের কাছে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। অভিযানের সময় ৪২০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এখানে ২০ জনের জায়গায় ২৮ জনকে চিকিৎসাধীন পাওয়া গেছে।’

২০০৯ সাল থেকে কেন্দ্রটি পরিচালনা করা হচ্ছে। এখানে একজন রোগী পাওয়া গেছে যিনি তিন বছর যাবৎ এখানে রয়েছেন। মাদকাসক্ত নয় এমন সুস্থ ব্যক্তিদেরও জোর করে এখানে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন সময় মারধরও করা হয়েছে। যাদের শরীরে জখমের দাগ পাওয়া গেছে এমন সাতজনকে পরীক্ষার জন্য চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। সেবাগ্রহীতা যারা পুনর্বাসন কেন্দ্রের এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলতে চেয়েছে তাদেরকে সন্ত্রাসী দিয়ে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এখানে ট্রিটমেন্টের প্যাটার্ন যেভাবে ছিল সেভাবে ট্রিটমেন্ট করা হয়নি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন