এ অবস্থা নিয়ে গত মঙ্গলবার ‘মুমূর্ষু স্ত্রীর পাশে অসহায় এক স্বামী’ শিরোনামে প্রথম আলো অনলাইনে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।
মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে লকডাউনের মধ্যেই ঢাকায় এক বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করা একমাত্র ছেলে জিয়াউর রহমান গত বুধবার রাতে ছুটে আসেন। থাকেন মায়ের পাশে। তবে সেটা আর বেশি দিন হলো না।

আজ রাতে কুলসুম বেগম স্বামী-সন্তানের মায়া ছেড়ে চিরদিনের জন্য চলে গেলেন না–ফেরার দেশে। রাতে করোনা ওয়ার্ড থেকে লাশ বের করার সময় কাঁদছিলেন ছেলে জিয়াউর রহমান। তবে স্বামী চতুর আলী যেন নির্বাক হয়েছিলেন। কোমরে শক্ত করে বাঁধা গামছা। আর হাতে পাটি ও প্লাস্টিকের টুল নিয়ে বের হচ্ছিলেন। কিন্তু মনটা বেদনায় ভরা।

ছেলে জিয়াউর রহমান বলেন, মায়ের কাছে ছুটে এসেও সুস্থ করে বাড়ি নিতে পারলেন না। নিথর দেহ নিয়ে বাড়িতে ফিরতে হচ্ছে। রাতেই নিজেদের গ্রামে লাশ দাফন করবেন বলে জানান তিনি।