বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আবুল খায়ের মিয়া বলেন, সেতুর দুই পারে সংযোগ সড়ক করার মতো কোনো জায়গা ছিল না। তাই সেতুর নির্মাণ নকশা ওভাবে করা হয়েছিল। এখন যেহেতু বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, তাই বিশেষ প্রক্রিয়ায় সংযোগ সড়ক করা হবে। এ জন্য অতিরিক্ত অর্থ লাগবে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, হ্যাঁ লাগবে। এ ক্ষেত্রে আগের প্রাক্কলনকে পুনর্বিন্যাস (রিভাইজড) করা হবে। তবে কত টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হবে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‌‘এই মুহূর্তে বলতে পারব না। আমি বাইরে আছি।’

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্র জানায়, সেতুর সিঁড়ি ভেঙে সেখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। দুই পাশে সংযোগ সড়ক করার মতো প্রয়োজনীয় জায়গা না থাকায় দুই পারের মূল সংযোগ সড়কের সমপরিমাণ উঁচু করা হবে। এরপর গতিরোধকের মতো করে ঢালু করে যান চলাচলের উপযোগী করা হবে।

বরিশালের বাকেরগঞ্জ থেকে বরগুনার বেতাগী উপজেলায় যেতে আঞ্চলিক মহাসড়কের চামটা নতুন বাজার এলাকায় রামনগর ভাড়ানি খালের ওপর ২৭ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হয় মাসখানেক আগে। লোহার অবকাঠামোর ওপর সিমেন্টের তৈরি এ সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২১ সালের জানুয়ারিতে। ৫৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে এ সেতু নির্মাণের কার্যাদেশ পায় স্থানীয় এমএস রুপালী কনস্ট্রাকশন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

সেতুটির দক্ষিণ পারে বাকেরগঞ্জ থেকে নিয়ামতি হয়ে বরগুনার বেতাগী উপজেলার আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং উত্তর পারে রামনগর সড়ক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন