বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও এলাকাবাসীর সূত্র জানায়, প্রায় ৩০ বছর আগে ফরাজিকান্দি, মাঝেরকান্দি, মাদবরকান্দি, ডিগ্রী খোয়াজপুর, ভসারচরসহ সাতটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য মৌলভির খালের ওপরে ৫০ ফুট দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণ করে এলজিইডি। ওই সাত গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ সেতুটি দিয়ে পায়ে হেঁটে চর গোবিন্দপুরের এটিএম বাজারসহ সদর উপজেলায় যাতায়াত করে আসছে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেতু দিয়ে এখন আর যানবাহন চলাচল করে না। সেতুর আগপর্যন্ত ছোট যানবাহনে এসে যাত্রীরা পারাপার হয় পায়ে হেঁটে।

স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে, ১০ বছর আগে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেয়। এর পর থেকে ধীরে ধীরে সেতুর ঢালাই ও পলেস্তারা খসে পড়তে থাকে। একপর্যায়ে মূল সেতুর চারটি স্থানে বড় বড় গর্ত ও খুঁটি নড়বড়ে হয়ে পড়ে। এর পর থেকেই সেতুটিতে আর যানবাহন ওঠে না।

সেতুটির কাছে গিয়ে দেখা যায়, ঢালাইয়ের বেশির ভাগ অংশ খসে পড়েছে। বের হয়ে গেছে রড। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটির ওপর পায়ে হেঁটে চলার সুবিধার্থে বাঁশের মাচা বিছানো। তার ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে শিশুশিক্ষার্থীসহ এলাকার মানুষ। সন্ধ্যার পর ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

চর গোবিন্দপুর এলাকার ৭৫ বছর বয়সী শাজাহান মাতুব্বর প্রথম আলোকে বলেন, ‘সেতুটি ১০ বছর ধইরা একভাবেই পইড়া আছে। চোখের সামনে কত মানুষ এই সেতু পার হইতে গিয়া আহত হইছে, তার হিসাব নাই। খুব ভয় আর সতর্কতার সঙ্গে সেতুটি পারাপার হতে হয় আমাগো। এক পা এদিক–সেদিক হইলেই পা গেঁথে ভাঙবে নয়তো মচকাবে।’

এলজিইডির সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি নতুন করে নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠানো আছে। আগামী জুনে বরাদ্দ পেলে সেতুটি নতুন করে নির্মাণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন