বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কয়েকজন শ্রমিক আশাশুনির গুনকরকাটি সেতুর নিচে বেতনা নদীর চরে কাজ করতে যান। হঠাৎ তাঁরা সাদা একটা কিছু দেখতে পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেন একটি নবজাতক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এ সময় তাঁদের চিৎকারে সেখানে আশপাশের মানুষ জড়ো হয়। পরে দেখা যায়, শিশুটি বেঁচে রয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত আল হারুন চৌধুরী সেখান থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পরে শিশুটিকে নিয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, রাতের আঁধারে কে বা কারা ৩০ ফুট উঁচু সেতুর ওপর থেকে শিশুটিকে নদীতে ফেলে দিয়েছে। অনেক ওপর থেকে নদীর চরে পড়ায় আঘাত লেগে রক্তক্ষরণ হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আজ দুপুর ১২টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, শিশুটিকে চতুর্থ তলার আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আইসিইউর বাইরে বসে অপেক্ষা করছেন কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত আল হারুন চৌধুরী। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, রাতের আঁধারে কে বা কারা ৩০ ফুট উঁচু সেতুর ওপর থেকে শিশুটিকে নদীতে ফেলে দিয়েছে। অনেক ওপর থেকে নদীর চরে পড়ায় আঘাত লেগে রক্তক্ষরণ হয়েছে। খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিক শিশুটিকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, শিশুটি প্রয়োজনে তিনি ঢাকায় নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা দেবেন।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের নার্স নার্গিস পারভীন বলেন, নবজাতক শিশুটিকে কাদামাটি মাখা অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাকে তিনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। এরপর শিশুটিকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা অসিম কুমার সরকার বলেন, শিশুটির বয়স এক দিন কিংবা দেড় দিন হবে। এমনিতে শিশুটি অপরিণত। তারপর অনেক ওপর থেকে ছুড়ে ফেলা হয়েছে। তার মাথায় আঘাত লেগেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন