বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাইনবোর্ডে শুধু সেতু অংশটি অক্ষত থাকায় ফেসবুকে গত শুক্রবার রাতে একটি ছবি প্রকাশ করেন ওই এলাকার বাসিন্দা সিলেটের আবাহনী ক্রীড়া চক্রের সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোস্তাফিজ রোমান। মোস্তাফিজ বলেন, এলাকাবাসী কেউ কেউ বলছেন সাইনবোর্ডের নামের অংশটি আপনা-আপনি পড়ে গেছে। সেতু লেখা অংশটি নড়বড়ে হয়ে ঝুলছে। তবে সাইনবোর্ড থেকে শুধু নামটি পড়ল কেন, এ নিয়ে প্রশ্ন আছে মানুষের।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান (এম এ খান) সিলেটের দক্ষিণ সুরমার জালালপুরের সন্তান। ১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সালের জুন পর্যন্ত সরকারের যোগাযোগমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এম এ খান। ওই সময় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে প্রথম সেতু নির্মাণকাজ শুরু হয়। ১৯৮৪ সালের ১ জানুয়ারি সেতুটির উদ্বোধন করা হয়।

সড়ক ও জনপথের (সওজ) সেতু বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই সেতু নির্মাণের আগে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের লামাকাজী এলাকায় ফেরি চলাচল ছিল। সেতুটি উদ্বোধনের প্রায় সাত মাসের মাথায় ১৯৮৪ সালের ৬ আগস্ট এম এ খান মারা যান। এরপর মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে লামাকাজী এলাকার সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের প্রথম সেতুর নাম এম এ খানের নামে করা হয়।

‘পাবলিক ভয়েস সিলেট’ নামের অধিকারবিষয়ক সংগঠনের চেয়ারম্যান মিফতা সিদ্দিকী বলেন, রাজনৈতিক কারণে সেতুর নামটি এভাবে সরানো হয়েছে। সাইনবোর্ড ভেঙে পড়লে তো পুরোটাই পড়ত। সেতু নামটি তো থাকার কথা নয়।

সরকারি নথিপত্রে সেতুর নাম ‘রিয়ার অ্যাডমিরাল এম এ খান সেতু’ আছে বলে নিশ্চিত করেছেন সওজ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান। গতকাল রোববার তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি জানতেন না। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন