বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কাউনিয়া উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আজম খাঁ গ্রামে মানাস নদের ওপর ১৮ ফুট দীর্ঘ সেতুটি ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এডিপি প্রকল্পের অর্থায়নে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে বন্যায় সেতুটির পশ্চিম দিকে পানিতে ধসে পড়ে।

কাউনিয়া উপজেলার প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান জানান, ওই এলাকায় একটি সেতু নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে দরপত্রের মাধ্যমে নির্মাণকাজের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার হয়বতপুর গ্রামের সেতুটি ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে এই সেতু নির্মাণ করেন ঠিকাদার বিকাশ চন্দ্র।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, জমির মধ্যে নির্মাণাধীন সেতুটি দাঁড়িয়ে আছে। সেতুর দুই দিকে নেই কোনো সংযোগ সড়ক। দুই পাশে দুটি মই রাখা। পথচারীরা মই বেয়ে সে সেতুতে ওঠেন।

হয়বতপুর গ্রামের স্কুলশিক্ষক নূরুন নবী বলেন, ‘এত টাকা দিয়ে ব্রিজ হইল। এক বছর থেকে রাস্তা হলো না।’

মিঠাপুকুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোশফিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এটি নিচু এলাকা হওয়ায় যথেষ্ট মাটি না পাওয়ার
কারণে রাস্তা নির্মাণে দেরি হয়েছে। ইতিমধ্যে ঠিকাদারের সঙ্গে কথা হয়েছে। খুব শিগগির রাস্তার কাজ করা হবে। ঠিকাদার বিকাশ চন্দ্রও দ্রুত কাজ শুরুর কথা বলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন