কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে সভায় বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট বোর্ডের প্রধান জাবেদ আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. নাসিম আহমেদ, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

সেন্ট মার্টিনকে আরও সুন্দর করে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৩টি সুপারিশ বাস্তবায়নে কাজ চলছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেকোনো মূল্যে এর বাস্তবায়ন চাই। এতে দ্বীপবাসীর জীবনমান বদলে যাবে। প্রত্যেক উন্নয়নের সঙ্গে স্থানীয় কর্মসংস্থান জড়িয়ে রয়েছে। তবে সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হচ্ছে প্রবাল দ্বীপের প্রকৃতি ধ্বংসের পথে। ফলে দ্বীপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। সেটি আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছি।’

মাহবুব আলী বলেন, আন্তমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে এখানে আর কোনো ধরনের ভবন নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না। কোনোভাবে এই প্রবাল দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করা যাবে না। এখানে বিদেশি পর্যটকদের টানতে ইকোট্যুরিজম উন্নয়ন করা হবে। ইতিমধ্যে এখানে ইকোট্যুরিজম রির্সোট তৈরি করা হয়েছে। দ্বীপ রক্ষার পাশাপাশি বিদেশিদের টানতে স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে আরও সাজিয়ে-গুছিয়ে কাজ করা হবে। প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের সম্পদ। এ দ্বীপকে ঘিরে প্রধানমন্ত্রী খুবই আন্তরিক।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিবেশ, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে প্রবাল দ্বীপকে পর্যটকবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি সেন্ট মার্টিন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ চলছে। দ্বীপে ভ্রমণে পর্যটকদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়া হচ্ছে। সেন্ট মার্টিনকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে ও আধুনিক পর্যটনশিল্প কেন্দ্র গড়তে সব মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি সব শ্রেণি-পেশার মানুষ মিলে কাজ করতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন