বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, সেপটিক ট্যাংকটি নির্মাণাধীন। প্রায় দেড় বছর থেকে সেটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা দেওয়া ছিল না। ট্যাংকের ওপরে কাঠ বিছানো ছিল। ব্যবহৃত না হলেও সেটির ভেতরে পানি জমে ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটি খেলার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত ভেতরে পড়ে গিয়েছিল।

শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, নিহত শিশুর সুরতহাল প্রস্তুতের পর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মঙ্গলবার রাতেই সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের সদস্যরা কোনো মামলা করেননি। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন