বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যবিধির দোহাই দিয়ে প্রশাসন যে এতদিন হল বন্ধ রেখেছে, তা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনের উচিত ছিল হল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া। আর আগামী মাসে (৪-৬ অক্টোবর) ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা কোনো শিক্ষার্থী ও অভিভাবক যেন হেনস্তার শিকার না হন, কোনো অনিশ্চয়তার মধ্যে না পড়েন বা হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য অবশ্যই ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল খুলে দিতে হবে।

গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, অধিকাংশ বিভাগে এখন পরীক্ষা চলছে। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে এসে গেছেন। আর এতে মেসে আসনসংকট দেখা দিয়েছে। তাই আগের তুলনায় বর্তমানে আবাসিক হল খোলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা হল-ক্যাম্পাস খোলা, হল খোলার পর কোনো শিক্ষার্থীকে যেন করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের ঝামেলায় পরতে না হয় সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে বুথ স্থাপন করা এবং আসন্ন ভর্তি পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীদের থেকে মেসে অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে মেসমালিকদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আলোচনায় বসার দাবি জানান।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে প্রশাসন ভবনের সামনে আসেন। সেখানে তাঁরা ২৩ তারিখের মধ্যে হল-ক্যাম্পাস খোলার সিদ্ধান্ত না এলে আবার আন্দোলনের ঘোষণা দেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘আর কোনো দাবি নাই, হল-ক্যাম্পাস খোলা চাই’, ‘৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবাসিক হল খোলা চাই’, ‘এক দফা এক দাবি, হল-ক্যাম্পাস খুলে দাও’ প্রভৃতি স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

এরপর শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গোলাম সাব্বির সাত্তারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দাবির বিষয়গুলো তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে উপাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন, যত দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাত্রদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে ক্যাম্পাস ও আবাসিক হল খুলে দেওয়ার। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ শতাংশের কম শিক্ষার্থী টিকা গ্রহণ করেছে। সরকার নির্দেশনা দিয়েছে কমপক্ষে ৭০–৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী টিকা গ্রহণ না করলে ক্যাম্পাস ও আবাসিক হল না খুলে দিতে। তবে সে ক্ষেত্রে সরকার এই মাসের ২৮ তারিখ পর্যন্ত বিষয়গুলোর দেখভাল করবে।

উপাচার্য আরও বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিষদের সভা রয়েছে। এই সভা ব্যতীত আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন