বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নারকেলপুলি, ভাপা, চিতইয়ের মতো চেনা পিঠার পাশাপাশি সেখানে পাওয়া যাচ্ছে আতিক্যা ও ধূপপায়েস পিঠা। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকদের কাছে এ দুই ধরনের পিঠা অনেকটাই অচেনা। তাই এগুলোর চাহিদাও বেশি। কাঁচকলার পাতার ভেতর বিন্নিচাল দিয়ে আতিক্যা পিঠা তৈরি হয়। এ পিঠা খেতেও বেশ মজার।

ঢাকার রায়েরবাজার থেকে আসা গৃহবধূ সাবিনা ইয়াছমিন বলেন, তিনি বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরি করতে পারেন। তবে আতিক্যা কিংবা ধূপপায়েস পিঠা তিনি কখনো খেয়ে দেখেননি। আজ তিনি পিঠা খাওয়ার পাশাপাশি তৈরির পদ্ধতিও শিখে নিয়েছেন। বাড়িতে ফিরে পিঠা তৈরি করে পরিবারের সবাইকে খাওয়াবেন বলে জানান তিনি।

উৎসবের এক কোনায় ফ্রেশ ইন নামে এক দোকানে আতিক্যা, ধূপপায়েস, জালপুলি ও চিতই পিঠা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। দোকানের কর্ণধার কলেজছাত্রী শফিকা তাসনিম বলেন, দেশ-বিদেশ থেকে আসা পর্যটকদের কাছে স্থানীয় পিঠার স্বাদ তুলে ধরতে পেরে ভালো লাগছে। বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় থাকছে।

default-image

স্টলগুলোয় পিঠার পাশাপাশি মিষ্টি, পায়েস, মধুভাতসহ বিভিন্ন মিষ্টান্ন পাওয়া যাচ্ছে। ১৫ থেকে শুরু করে ৭০ টাকার মধ্যেই এসব পিঠার স্বাদ নিতে পারছেন পর্যটকেরা। উৎসবের সমাপনী দিন ও সাপ্তাহিক ছুটির শেষ দিন হওয়ায় আজ পিঠার দোকানগুলোয় পর্যটকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. জিললুর রহমান বলেন, তিন দিনের এ পিঠা উৎসব ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। কক্সবাজার ভ্রমণে আসা শত শত পর্যটক ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এ উৎসবের মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তারাও ভবিষ্যতে নতুন পণ্য তৈরি ও উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহী হবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন